বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত : অর্থমন্ত্রী   * নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী   * চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু   * সুন্দর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সবার অবদানের স্বীকৃতি জরুরি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী   * নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘে যাবেন প্রধানমন্ত্রী : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী   * বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী   * রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে ভারতের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন   * ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম গড়তে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর   * নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন   * তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ  

   সম্পাদকীয়
নবজাতকের জীবনে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের হুমকি
  Date : 23-09-2025

অনলাইন ডেস্ক

অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ এখন শুধু চিকিৎসা বিজ্ঞানের চ্যালেঞ্জ নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও বড় সংকট। সম্প্রতি আইসিডিডিআরবির গবেষণায় দেখা গেছে, রাজধানীর এনআইসিইউতে ভর্তি হওয়া নবজাতকদের ৮১ শতাংশের শরীরে কার্বাপেনেম প্রতিরোধী ক্লেবসিয়েলা নিউমোনি (সিআর-কেপিএন) জীবাণুর উপস্থিতি রয়েছে। এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। কার্বাপেনেম এমন একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা সাধারণত শেষ ধাপের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এ ওষুধও যখন অকার্যকর হয়ে যায়, তখন সংক্রমিত রোগীকে বাঁচানো চিকিৎসকদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। নবজাতকের মতো দুর্বল রোগীদের জন্য এই হুমকি বহুগুণে মারাত্মক। গবেষণার তথ্য বলছে, হাসপাতালেই সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি-যা স্বাস্থ্যব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতা তুলে ধরে। শুধু নবজাতক নয়, প্রাপ্তবয়স্কদের আইসিইউতেও ৬০ শতাংশ রোগীর দেহে এ ধরনের প্রতিরোধী জীবাণু পাওয়া গেছে। দীর্ঘ সময় হাসপাতালে থাকা, ঘন ঘন অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানার ফলে ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে জীবনের প্রথম বছরেই অধিকাংশ শিশু অন্তত একবার অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করছে-যা তাদের প্রাকৃতিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করছে। তবে আশার আলোও আছে। গবেষণায় দেখা গেছে, হাত ধোয়ার অভ্যাস জোরদার করা, হাসপাতালের পরিবেশগত পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধি এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের (আইপিসি) মৌলিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব। অর্থাৎ সীমিত সম্পদের মধ্যেও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ কার্যকর ফল দিতে পারে। এই বাস্তবতায় তিনটি দিক জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতালগুলোতে কঠোরভাবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে হবে। এছাড়াও অযাচিত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং চিকিৎসকদের যুক্তিসঙ্গত প্রেসক্রিপশন নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি গবেষণা ও নজরদারির মাধ্যমে প্রতিরোধী জীবাণুর ধরণ ও বিস্তার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধকে বলা হয় “নীরব মহামারি”। বাংলাদেশে নবজাতকের মধ্যে এর বিস্তার প্রমাণ করে, বিষয়টি আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য এখনই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও নীতি বাস্তবায়নে দেরি হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়বে। তাই এখনই সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।



  
  সর্বশেষ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত : অর্থমন্ত্রী
নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু
সুন্দর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সবার অবদানের স্বীকৃতি জরুরি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী



সম্পাদক ও প্রকাশক: অধ্যাপক স্মৃতি ভূষণ ভট্টাচার্য্য (স্মৃতিময়)
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিলয় ভট্টাচার্য্য: নির্বাহী সম্পাদক : এস এম আবুল হাসান,
সম্পাদক কর্তৃক ১১২/২ -এ পূর্ব বাসাবো, ঢাকা হতে প্রকাশিত এবং তুহিন প্রেস ২১৯/২,
ফকিরাপুল (১ম গলি) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২/২, ইডেন কমপ্লেক্স, (৪র্থ তলা), সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৪১০৭০৪৫৬, মোবাইল: ০১৭৯৮-৪৬৬৪৭১, ০১৭১৬-৯১১৫৭২, ০১৯২৭-২০৩২০২।
E-Mail: dailydhaka2003@gmail.com , dainikdhaka5@gmail.com