| |
| গুজবের কবলে দেশ সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| অনলাইন ডেস্ক দিনভর দেশে বিভিন্ন গুজব ছড়িয়ে পড়ায় জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও নানা কৌতূহল দেখা দেয়। এদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মূলত তিনটি গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। এগুলো হলো-দেশে জরুরি অবস্থা জারি হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকারকে বাদ দিয়ে গঠন করা হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং সেনাপ্রধান পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। গুজব এমন একটি বিষয়, যা ডালপালা ছড়িয়ে আরও নতুন নতুন গুজবের জন্ম দেয়। তাই উল্লিখিত তিনটির বাইরে আরও নানা গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। যেমন উচ্চ আদালত কর্তৃক ডাকসু নির্বাচন স্থগিত করার আদেশের খবরে গুজবের পালে আরও বাতাস লাগে। তবে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের বিবৃতি এবং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) বিবৃতি জনমনে অনেকটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনে। এরপর চেম্বার জজ আদালত কর্তৃক ডাকসু নির্বাচন নিয়ে উচ্চ আদালতের আদেশ স্থগিত করার খবরে গুজবের বিভ্রান্তি কেটে যায়। দেশে গুজবের ব্যাপকতা এটাই প্রথম নয়, বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা আমরা দেখেছি। সাধারণত বিশেষ বিশেষ সময় বা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গুজবের মাত্রা বেড়ে যায়। গত বছরের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশে একটি বিশেষ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নানা কারণে তৈরি হচ্ছে অস্থিরতা। ফলে গুজব সৃষ্টির আবহ এখানে বিদ্যমান। সহজেই গুজব ছড়িয়ে পড়তে পারে। আবার কোনো কোনো মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়িয়ে দিতে পারে গুজব। এ বাস্তবতায় গুজব সম্পর্কে সবারই সতর্ক থাকা প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে, গুজবে প্রকৃত তথ্য উধাও হয়ে যায়। এ থেকে ফায়দা নেয় সুযোগসন্ধানীরা। গুজব ছড়ানোর মোক্ষম অস্ত্র হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। এর মাধ্যমে মুহূর্তেই কোটি কোটি মানুষের মধ্যে হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গুজব ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশকে অস্থিতিশীল করার নানা ষড়যন্ত্র চলছে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের পলাতক নেতারা বিদেশে বসে দেশকে অস্থিতিশীল করার তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে তথ্য রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জনপ্রিয় গণমাধ্যম এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যবহার করে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা দেখা গেছে। গুজবকে বিশ্বাসযোগ্য করতেই এমনটি করা হয়ে থাকে। এভাবে যারা গুজব ছড়ায়, তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। কারণ গুজব জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, যার ফল অনেক সময় গুরুতর হতে পারে। এসব কারণে গুজবের বিষয়ে সবাইকেই সজাগ থাকতে হবে। যেসব কথা বা আচরণে গুজব সৃষ্টি হতে পারে, সেসব থেকে বিরত থাকতে হবে। এ কথা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কোনো কোনো উপদেষ্টার কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডে সরকারের ভেতর সমন্বয়হীনতা প্রকাশ পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিও গুজব সৃষ্টির কারণ হতে পারে। রাজনৈতিক দলের নেতাদেরও এসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। পতিত স্বৈরাচাররা গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে সক্ষম হলে গণ-অভ্যুত্থানের সুফল থেকে বঞ্চিত হতে পারে দেশ। সেটি কারও জন্যই ভালো হবে না। তাই গুজব সম্পর্কে সাবধান!
|
| |
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশক: অধ্যাপক স্মৃতি ভূষণ ভট্টাচার্য্য (স্মৃতিময়)
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিলয় ভট্টাচার্য্য: নির্বাহী সম্পাদক : এস এম আবুল হাসান,
সম্পাদক কর্তৃক ১১২/২ -এ পূর্ব বাসাবো, ঢাকা হতে প্রকাশিত এবং তুহিন প্রেস
২১৯/২,
ফকিরাপুল (১ম গলি) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২/২, ইডেন কমপ্লেক্স, (৪র্থ তলা), সার্কুলার রোড,
মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৪১০৭০৪৫৬, মোবাইল: ০১৭৯৮-৪৬৬৪৭১,
০১৭১৬-৯১১৫৭২, ০১৯২৭-২০৩২০২।
E-Mail: dailydhaka2003@gmail.com , dainikdhaka5@gmail.com
|
|
| |
|