শনিবার, জুলাই ৪, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ন্যায়বিচারের দাবিতে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা   * চকবাজারের আশিক টাওয়ারে আগুন নিয়ন্ত্রণে   * জুলাই শহীদের স্বজনদের আবেগঘন মুহূর্ত প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে   * হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগতভাবে: প্রধানমন্ত্রী   * সব জেলা রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত করার ঘোষণা রেলপথ প্রতিমন্ত্রীর   * সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী   * কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সরকারের অগ্রাধিকার: বাণিজ্যমন্ত্রী   * শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপে পরীক্ষা দিতে পারছে ১৫ শিক্ষার্থী   * ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ ও প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ   * খামেনির প্রতি বাংলাদেশের শ্রদ্ধা, রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ  

   আন্তর্জাতিক
খামেনি হত্যাকে ‘হৃৎপিণ্ডে আঘাত’ হিসেবে দেখছেন ইরানিরা
  Date : 04-07-2026

অনলাইন ডেস্ক

ইরানের জন্য রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানটি কেবল তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানই নয়; বরং এটি এমন এক চার দশকের সমাপ্তি, যা দেশটির প্রায় প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে শক্ত ভিত দিয়েছিল।

১৯৮৯ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধের ক্ষত কাটিয়ে ওঠার সময়ে খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর থেকে তার কার্যালয়টিই দেশটির ক্ষমতার মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়। সশস্ত্র বাহিনী, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এবং সব কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের নিয়ন্ত্রণ ছিল তারই হাতে।

খামেনির শাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি ছিল ‘ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী’ বা আইআরজিসি। তার অধীনেই আইআরজিসি দেশটির নিরাপত্তা, রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে একচ্ছত্র প্রভাবশালী পক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়।

আমেরিকা ও আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের রুখে দিতে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যাপক বিনিয়োগ করে। বিশ্বরাজনীতিতে এটি একটি বড় বিতর্কের জন্ম দিলেও ইরানের পরমাণু কর্মসূচির মতো এত তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি আর কিছু নিয়ে হয়নি।

খামেনি সব সময় জোর দিয়ে বলতেন যে ইরান কোনো পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে চায় না, তবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার তার দেশের রয়েছে। তার এই অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ ইরানের ওপর দফায় দফায় অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

আঞ্চলিক রাজনীতিতে খামেনির মূল কৌশল ছিল বন্ধুভাবাপন্ন সরকার ও বিভিন্ন প্রতিরোধ গোষ্ঠীর সঙ্গে জোট গঠন করা। এই নীতির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বাড়লেও উপসাগরীয় আরব দেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির উত্তেজনা আরও গভীর হয়।

২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাতের প্রথম দিনেই এক হামলায় খামেনি নিহত হন।

ইরানি কর্মকর্তারা তার এই হত্যাকাণ্ডকে দেশের মূল হৃৎপিণ্ডে আঘাত হানার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, তার অনুসারীদের অনেকেরই আশঙ্কা, তার এই চলে যাওয়া ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিতে পারে।



  
  সর্বশেষ
ন্যায়বিচারের দাবিতে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা
চকবাজারের আশিক টাওয়ারে আগুন নিয়ন্ত্রণে
জুলাই শহীদের স্বজনদের আবেগঘন মুহূর্ত প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে
হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগতভাবে: প্রধানমন্ত্রী



সম্পাদক ও প্রকাশক: অধ্যাপক স্মৃতি ভূষণ ভট্টাচার্য্য (স্মৃতিময়)
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিলয় ভট্টাচার্য্য: নির্বাহী সম্পাদক : এস এম আবুল হাসান,
সম্পাদক কর্তৃক ১১২/২ -এ পূর্ব বাসাবো, ঢাকা হতে প্রকাশিত এবং তুহিন প্রেস ২১৯/২,
ফকিরাপুল (১ম গলি) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২/২, ইডেন কমপ্লেক্স, (৪র্থ তলা), সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৪১০৭০৪৫৬, মোবাইল: ০১৭৯৮-৪৬৬৪৭১, ০১৭১৬-৯১১৫৭২, ০১৯২৭-২০৩২০২।
E-Mail: dailydhaka2003@gmail.com , dainikdhaka5@gmail.com