অনলাইন ডেস্ক
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্ব শুরু হয়েছে। এখন প্রতিটি ম্যাচই ‘বাঁচা-মরার’ লড়াই। একটি ভুলই শেষ করে দিতে পারে বহু বছরের পরিশ্রম। এই মঞ্চেই কেউ হারিয়ে যাবেন, আবার কেউ গড়বেন নতুন ইতিহাস।
গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তিন ম্যাচে ছয় গোল করে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে নিজের মোট গোলসংখ্যা ১৯-এ উন্নীত করেছেন, যা পুরুষ ফুটবলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। ৩৯ বছর বয়সি এই তারকা চলতি আসরে গোলের দিক থেকে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং নরওয়ের আর্লিং হলান্ডের (প্রত্যেকের ৪টি করে গোল) চেয়েও এগিয়ে রয়েছেন।
তবে ফিফার নতুন চালু করা ‘পাওয়ার র্যাঙ্কিং’-এ মেসি শীর্ষে নেই। ম্যাচভিত্তিক পারফরম্যান্স বিশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি এই র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে উঠে এসেছেন জার্মানির ফরোয়ার্ড ডেনিজ উনদাভ।
ফিফার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আক্রমণ, সৃজনশীলতা ও রক্ষণ— এই তিন বিভাগে আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের ১০-এর মধ্যে নম্বর দেওয়া হয়। গোলরক্ষকদের ক্ষেত্রে বল দখল ও গোল রক্ষার দক্ষতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়।
সর্বশেষ প্রকাশিত র্যাঙ্কিংয়ে উনদাভ আক্রমণে ৮.৩৬, সৃজনশীলতায় ৬.৭৮ এবং রক্ষণে ৪.৭০ নম্বর পেয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছেন। মেসি আক্রমণে ৮.৩৪, সৃজনশীলতায় ৬.৪৩ এবং রক্ষণে ৫.১৪ নম্বর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন।
ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮.১৩, ৭.২৫, ৪.৫৯) তৃতীয় এবং ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (৭.৯২, ৬.৩৯, ৪.৭৫) চতুর্থ স্থানে আছেন। অন্যদিকে পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আছেন ৭৯তম স্থানে।
বিশ্বকাপের অন্যতম বড় চমক হয়ে উঠেছেন জার্মান স্ট্রাইকার ডেনিজ উনদাভ। জার্মানির হয়ে খেললেও ইয়াজিদি ও কুর্দি বংশোদ্ভূত এই ২৯ বছর বয়সি ফুটবলার বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করছেন এমন দুটি জনগোষ্ঠীর, যাদের নিজস্ব বিশ্বকাপ দল থাকার বাস্তব সম্ভাবনা নেই।
জার্মানির হয়ে বদলি হিসেবে নেমে উনদাভ তিনটি গোল করেছেন এবং আরও দুটি গোলে সহায়তা করেছেন। ফলে তিনি গোলদাতাদের তালিকায় মেসি, এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ঠিক পেছনেই অবস্থান করছেন।