অনলাইন ডেস্ক
কর্মসংস্থানকে নির্বিঘ্ন করতে বাজেটে সকল প্রকার ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর থেকে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া উদ্ভাবনী কাজে উৎসাহ জোগাতে সব ধরনের কন্টেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আয়কে করমুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এই বাজেটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কর্মসংস্থান। আমরা করনীতিকে এমনভাবে সাজাতে চাই, যাতে নতুন ব্যবসা, নতুন ধারণা এবং নতুন প্রজন্ম এগিয়ে আসতে পারে। তরুণ, নারী, প্রতিবন্ধী ও উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের বিশেষ সহায়তা প্রদানের জন্য বর্তমানে শুধু আইটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর কর অব্যাহতি আছে।
এই কর অব্যাহতি সুবিধা অন্যান্য সকল ধরনের ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ক্ষেত্রে সম্প্রসারণ করার প্রস্তাব করছি। এর ফলে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয় বৈধ পথে ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনতে উৎসাহিত হবেন।
তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী কাজে উৎসাহ জোগাতে সব ধরনের কন্টেন্ট ক্রিয়েশন থেকে আয়কে করমুক্ত করার প্রস্তাব করছি। তারুণ্যকে প্রাধান্য দিয়ে স্টার্টআপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এসএমই উদ্যোক্তাদের ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব করছি। একইসঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে যেকোনো উৎপাদনমুখী শিল্প, পর্যটন বা ক্রীড়াক্ষেত্রের স্থাপনা ও যন্ত্রপাতির বিনিয়োগের ওপর প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ হারে ত্বরান্বিত অবচয় (accelerated depreciation) সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করছি।