ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লির হাউজ খাস এলাকার হাউজ রানি অঞ্চলের একটি সরু গলিতে অবস্থিত ২৫ কক্ষের এই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের সময় ৪০ জনের বেশি মানুষ অবস্থান করছিলেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশই বিদেশি নাগরিক ছিলেন, যারা চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
অভিযানে দুটি ওয়াটার ইঞ্জিন, দুটি ওয়াটার বাউজার এবং কুইক রেসপন্স টিম অংশ নেয়।
হোটেলের রেস্তোরাঁর প্রধান শেফ কেসর সিং জানান, সকাল ৮টার দিকে তিনি রান্নাঘরের একটি বৈদ্যুতিক চুলা চালু করার চেষ্টা করলে হঠাৎ আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে। তিনি ও তার সহকারী দ্রুত ভবন থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হলেও মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো হোটেলকে গ্রাস করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রাণ বাঁচাতে কিছু মানুষ জ্বলন্ত ভবনের জানালা দিয়ে নিচে লাফিয়ে পড়ছেন।
এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি দুর্ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক উল্লেখ করে নিহতদের পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ২ লাখ রুপি এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার রুপি করে আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছেন।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।