হৃদয়ভাঙা এই পরাজয়ের পরও ফরাসি দল নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ফাইনালে ওঠায় স্পেনকে অভিনন্দন জানান তিনি।
একই সঙ্গে কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বাধীন দলকে প্রশংসা করে ম্যাক্রোঁ লেখেন, ‘যোগ্য দল হিসেবে ফাইনালে ওঠায় স্পেনকে অভিনন্দন। দেশের জার্সির মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করার জন্য লে ব্লুজকে ধন্যবাদ।
পুরো টুর্নামেন্টে ফিনিশিংয়ে যে দুর্বলতা ছিল, সেমিফাইনালে এসে তা কাটিয়ে ওঠে স্পেন। শক্ত রক্ষণ এবং ধারালো আক্রমণের সমন্বয়ে ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্সকে চাপে রাখে তারা। পুরো ম্যাচজুড়েই খেলার নিয়ন্ত্রণ ছিল স্প্যানিশদের হাতে।
প্রথমার্ধে স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস ডিনিয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিক থেকে গোলরক্ষক মাইক মাইগনানকে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারজাবাল।
এরপর মিডফিল্ডার দানি ওলমোর দারুণ এক থ্রু পাস ধরে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফুলব্যাক পেদ্রো পোরো। পুরো ম্যাচে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতে নেন তিনি।
২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার জয়সূচক গোলে প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন।
আগামী রোববার নিউইয়র্কের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামবে স্পেন।