অনলাইন ডেস্ক
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, “জাতীয় এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ এক না হলেও, আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে বিগত জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটকেন্দ্র স্থাপন থেকে শুরু করে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সেই আলোকেই সাজানো হচ্ছে।”
রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আজ বুধবার সকালে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন সুপারিশ, সংস্কারের অগ্রাধিকার এবং তা বাস্তবায়নের বিষয়ে ইসির সাথে বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সংলাপের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।
জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন ভিন্ন আইনি কাঠামোর আওতায় অনুষ্ঠিত হয় উল্লেখ করে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট আইনগুলো পর্যালোচনা ও সংস্কারের কাজ চলছে। নির্বাচন-পরবর্তী মূল্যায়নও সম্পন্ন করেছে কমিশন এবং সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায় তারা।
অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অবজারভেশন মিশনের সুনির্দিষ্ট ১৯টি প্রস্তাবনার কথা উল্লেখ করে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘তাদের দেওয়া পরামর্শগুলোকে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। একইসঙ্গে আগামী দিনগুলোতে ইইউ-এর সাথে এই বিষয়গুলো সমন্বয় করে কাজ করা হবে।’
তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালা সংস্কার ও আধুনিকায়নের কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের প্রস্তাবিত বিষয়গুলোকে ভালোভাবে আমলে নিয়ে কাজ করলে সামনের নির্বাচনগুলোতে আরও ভালো কিছু উপহার দেওয়া সম্ভব।
সংলাপে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নে ভবিষ্যতেও সম্পৃক্ত থাকতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।’ বিশেষ করে নারী, সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়াতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
এসময় ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার জানান, বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় আগামীতেও সম্পৃক্ত থাকতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন নারী সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে কিভাবে আরও বেশি নির্বাচন ব্যবস্থায় সম্পৃক্ত করা যায় সেটা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।