বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * এক মামলা থেকে জামিন পেলেন দীপু মনি, ৬টিতে রুল জারি   * যুগ্ম-সচিব ছেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী   * “সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় আসছে পূর্ণ ডিজিটালাইজেশন”   * “বাংলাদেশে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে”   * জ্বালানি সাশ্রয়ে নতুন পদক্ষেপ নিল সরকার   * “রাশেদের অভিযোগের তীরে হান্নান মাসউদ”   * ৬ দফা কর্মপরিকল্পনা নিয়ে জাতিসংঘে খলিলুর রহমান   * “প্রতিমন্ত্রী হিসেবে খুশি আছি: শামা ওবায়েদ”   * নির্বাচন চলবে স্বাভাবিকভাবেই, রিট খারিজ   * “দুই দিনের সফরে ঢাকায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী”  

   স্বাস্থ্য
ডেঙ্গু ছড়ানোর এডিস মশা চিনবেন কীভাবে?
  Date : 27-11-2025

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশে আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছে মশা। ছোট্ট এই জীব দেখলেই অনেকে আতঙ্কে থাকেন এই যেন ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুনিয়া হলো। মশার কামড়ে প্রতিবছরই অসংখ্য মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, মারাও যাচ্ছেন অনেকে।

চলতি বছরেও বাংলাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ৭৬ হাজার ৫১৪ জন মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মারা গেছেন ৩০৭ জন।

অবশ্য অতীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এর থেকেও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বাংলাদেশে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপের তীব্রতা দেখা গিয়েছিল। ওই বছর এক লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

তবে ২০২৩ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসে সব থেকে বেশি, প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই বছর মারা গিয়েছিলেন প্রায় দুই হাজার জন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মুশতাক হোসেন বলছেন, ‘ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে এডিস মশার নির্মূল করার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু সেই কাজটি আমরা ঠিক মতো করতে পারিনি।’

তার মতে, কেবল কীটনাশকের ধোঁয়া ছিটিয়ে এডিস মশার প্রাদুর্ভাব কমানো সম্ভব নয়, প্রয়োজন কমিউনিটি এনগেজমেন্ট বা সাধারণ মানুষের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মুশতাক হোসেন বলছেন, অতীতে এডিস মশা থাকলেও ডেঙ্গু টেস্টের তেমন সুযোগ না থাকায় তার অস্তিত্ব নিয়ে এতো বেশি গবেষণা বা চিন্তার সুযোগ ছিল না।

১৯৯৮ সালে কিছু রোগীর দেহে ডেঙ্গু ভাইরাস ধরা পড়ে। ১৯৯৯ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসে রাজধানীর অনেক রোগীর দেহে ডেঙ্গুর জীবাণু পাওয়া যায়, ২০০০ সালের দিকে ডেঙ্গুর প্রকোপও কিছুটা বাড়ে।

তখন থেকেই মূলত এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে কী করা যেতে পারে এই বিষয়ে গবেষণা ও ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও নানা সচেতনতামূলক প্রচারণা একটু একটু করে শুরু হয়।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা প্রকট আকার ধারণ করে ২০১৯ সালে। সেই বছর এক লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয় এবং মারা যায় ১৭৯ জন। এরপর ২০২৩ সালে ইতিহাসের সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলছেন, ‘আগে কেবল শহর এলাকায় এডিস মশার প্রাদুর্ভাব দেখা গেলেও বর্তমানে নগরায়নের প্রভাবে গ্রামেও এটি পৌঁছে গেছে।’



  
  সর্বশেষ
এক মামলা থেকে জামিন পেলেন দীপু মনি, ৬টিতে রুল জারি
যুগ্ম-সচিব ছেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
“সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় আসছে পূর্ণ ডিজিটালাইজেশন”
“বাংলাদেশে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে”



সম্পাদক ও প্রকাশক: অধ্যাপক স্মৃতি ভূষণ ভট্টাচার্য্য (স্মৃতিময়)
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিলয় ভট্টাচার্য্য: নির্বাহী সম্পাদক : এস এম আবুল হাসান,
সম্পাদক কর্তৃক ১১২/২ -এ পূর্ব বাসাবো, ঢাকা হতে প্রকাশিত এবং তুহিন প্রেস ২১৯/২,
ফকিরাপুল (১ম গলি) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২/২, ইডেন কমপ্লেক্স, (৪র্থ তলা), সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৪১০৭০৪৫৬, মোবাইল: ০১৭৯৮-৪৬৬৪৭১, ০১৭১৬-৯১১৫৭২, ০১৯২৭-২০৩২০২।
E-Mail: dailydhaka2003@gmail.com , dainikdhaka5@gmail.com